Press Release 05-07-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

চট্টগ্রাম।

 

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

শিক্ষকগণকে শ্রেনী পাঠদান কার্যক্রমে

আন্তরিক মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান মেয়র

চট্টগ্রাম- জুলাই ২০১৮

অংকুর সোসাইটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে আশানুরুপ পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল অর্জনে আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন। আজ বৃহষ্পতিবার দুপুরে  নাছিরাবাদ অংকুর সোসাইটি  বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি. এর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান অংকুর সোসাইটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় আয়োজিত ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষকদের সাথে সোসাইটি ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচিতি মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে কমিটির সাধারন সম্পাদক মো. শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ মো. খায়রুল ইসলাম, সদস্য মো. আলমগীর পারভেজ, সৈয়দ রফিকুল আনোয়ার, আলাউদ্দিন আলম, এস এম বখতেয়ার, মো.নুরুল ইসলাম মিন্টু, মো. রাসেদুর আমিন, অংকুর সোসাইটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিলি বড়য়া, অভিভাবক প্রতিনিধি মো. শাহ আলম, শিপ্তী মহাজন, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. এহসানুজ্জামান দিল আফরোজ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। সিটি মেয়র অংকুর সোসাইটি স্কুল একটি সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অভিভাবকের সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি বলেন শিক্ষকগণ হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। একজন আদর্শ শিক্ষক তার শিক্ষকতার কারিশমা দিয়ে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। তাই তিনি শিক্ষকগণকে শ্রেনী পাঠদান কার্যক্রমে আন্তরিক মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান। নতুন নির্মিতব্য ভবন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন ১১ তলা বিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন হতে চলেছে। ভবন নির্মিত হলে প্রতিষ্ঠানের শ্রেনীকক্ষ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

চসিকের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন

হালিশহর আগ্রাবাদ এলাকার ওয়াসার পানিতে

জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার কোন জীবাণু নেই : মেয়র

চট্টগ্রাম- জুলাই ২০১৮

বৃহত্তর হালিশহর আগ্রাবাদসহ আশে পাশের এলাকার ওয়াসার সরবরাহকৃত পানিতে জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার মত কোন ক্ষতিকারক জীবনু পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র নাছির উদ্দীন আজ বৃহষ্পতিবার দুপুরে কর্পোরেশনের কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে তথ্য প্রকাশ করেন। এসময় কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব,মো. সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফু, শৈবাল দাশ সুমন,চসিক প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন কবির, চট্টগ্রাম ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী ইফতেখার উল্লাহ মামুন প্রমূখ উপস্থি ছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ওয়াসার পানি পান করে হালিশহর আগ্রাবাদ আশে পাশের এলাকার মানুষ জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে  কর্পোরেশন সরবরাহকৃত ওয়াসার পানিতে জন্ডিস মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক কোন জীবানু আছে কিনা তা নির্ণয়ে  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন চট্টগ্রাম ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন কবির চট্টগ্রাম ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী ইফতেখার উল্লাহ মামুন। কর্পোরেশন গঠিত তদন্ত কমিটি বাংলাদেশ কাউন্সিল অব সাইন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (বিসিএসআইআর) এর সহায়তায় হালিশহর-আগ্রাবাদসহ আশপাশের এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার বাসভবনের ১৪টি স্পট থেকে সংরক্ষিত রিজার্ভারের পানি ওই এলাকার ওয়াসার সরবরাহকৃত পানি রিজার্ভারে সংরক্ষণের পূর্বে সংযোগ লাইন থেকে নিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখার ব্যবস্থা নেয়। যাতে ১৪ টি আবাসিক বাসভবনের সংরক্ষিত রিজারর্ভারের পানিতে জীবনু পাওয়া  গেলেও ট্যাংকে সংরক্ষণের পূর্বে ওয়াসার সংযোগ লাইনের সংগৃহীত পানির নমুনায় জন্ডিস আক্রান্ত হওয়ার কোন জীবানু পাওয়া যায়নি। এছাড়াও ওয়াসার সংরক্ষিত বাটালীপাহাড় রিজার্ভার নাসিরাবাদ রিজার্ভারের পানির নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষা করে দেখা হয়। তাতেও জন্ডিস,কলেরা কিংবা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার মত কোন জীবানুর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে কিছু কিছু জায়গার আবাসিক বাসভবনে রিজার্ভারের পানিতে ক্ষতিকারক ক্লোরিফর্ম পাওয়া যায় যার মাত্রা ছিল ১১ সিএফইউ বা এমএল। যেসমস্ত জায়গার আবাসিক বাসভবনের রিজার্ভারের পানিতে এই ক্ষতিকারক ক্লোরিফর্ম পাওয়া যায় সেগুলো হলো ফইল্যাতলীর খালেদা ভিলা,হালিশহর আবিদের পাড়ার পেয়ার আলী কুঞ্জে, আগ্রাবাদ সিডিএ এর ১৭ নং রোডের হাউস নং ১০৮, একই এলাকার হাউস নং-০২/ ইত্যাদি।

সিটি মেয়র নাছির উদ্দীন হালিশহর আগ্রাবাদ এলাকার বাসিন্দাদের আতংকিত না হয়ে  চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে তাদের নির্দেশিত পন্থায় রিজার্ভারে পানি সংরক্ষণ ব্যবহারের আহবান জানান। এতে পানি বাহিত রোগ জন্ডিস, ডায়রিয়া কলেরার ঝুঁকি কমবে।

এরপূর্বে ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী ইফতেখার উল্লাহ মামুন আবাসিক গৃহের রিজার্ভারের পানি সংরক্ষণ জীবাণু মুক্ত করণে তাদের নির্দেশিত পদ্ধতি সম্পর্কে উপস্থিত সংবাদ কর্মীদের অবহিত করেন, যা রিজার্ভার জীবানুমক্ত করণের সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি হলো রিজার্ভারের উপরের ঢাকনা খুলে ৩০ মি. অপেক্ষা করতে হবে। রিজর্ভারে  অর্ধেক পরিমাণ পানি  দিয়ে পূর্ণ করতে হবে এবং ভিতরে একটি সিড়ি নামাতে হবে। যার মাধ্যমে ভিতরে লোক নামতে পারে। রিজার্ভারে ড্রেন আউট ভাল্ব বন্ধ রাখতে হবে এবং জীবানুমুক্ত করার সময় পানি যাতে কেউ ব্যবহার করতে না পারে সেইদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। রিজার্ভারের জীবানুমুক্ত করন রুলস অনুযায়ী  (টেকনিক্যাল পাবলিকেশন বিআরএ ৩৫৩,কেমিস্ট্রি অব মডার্ণ ওয়াটার ক্লোরিনেশন বাই এটিপালিন) ওই রিজার্ভারের প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মি.গ্রাম ক্লোরিন অর্থাৎ মি.গ্রা.ব্লিচিং পাওডার মিশাতে হবে। এইভাবে পুরো রিজার্ভারের আয়তন যেনে প্রতি ঘন মিটার বা হাজার লি. আয়তনের রিজার্ভারের জন্য মি.গ্রা  ব্লিচিং পাউডার হিসেবে পুরো রিজর্ভারের আয়তনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্লিচিং পাউডার দিতে হবে। এই ব্লিচিং পাউডার প্রতিবারে কেজি করে ১টি ১৫ লি. এর বাকেটে পানি দ্বারা ভালভাবে গুলাইয়া নিতে হবে। তা মিনিট মিশ্রনের পর মিশ্রিত ব্লিচিং পাউডারের দ্রবণ অন্য একটি বাকেটে দিয়ে রিজার্ভারে ঢেলে দিতে হবে। এইভাবে প্রতিবারে কেজি করে প্রয়োজনীয় ব্লিচিং পাউডার পানিদ্বারা মিশ্রিত করে রিজার্ভারে ঢেলে দিতে হবে। রির্জার্ভারের ভিতর সিড়ি দিয়ে একজন লোক নেমে সাবমার্সিবল পাম্পের মাধ্যমে হোজ পাইপ দিয়ে পুরো রিজার্ভারের ভিতর  অংশ ব্লিচিং পাউডার যুক্ত পানি ছিটাইয়া দিতে হবে এবং ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। ঘন্টা পরে রিজার্ভারের ব্লিচিং পাউডার গুলানো পানি রিজার্ভারের আউটলেইট ভাল্ব খুলে বাইরে ফেলে দিতে হবে। এইভাবে আরো বার বাইরে থেকে পরিস্কার পানি দিয়ে রিজার্ভারের ভিতরের অংশ ভালভাবে পরিস্কার করে ৩য় বারে পানি দিয়ে ব্যবহার করা যাবে। এইভাবে প্রতি মাস অন্তর আন্ডারগ্রাউন্ড এবং ওভার হেড রিজার্ভার জীবাণুমুক্ত করা হলে গ্রাহক যে পানি পাবে তা জীবাণুমুক্ত থাকবে বলে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

 

সিটি মেয়রের সাথে সাউথ এশিয়া প্যাসেফিক

কনসানটেন্ট গ্রæ এর কর্মকর্তাদের বৈঠক

চট্টগ্রাম- জুলাই ২০১৮

সাউথ এশিয়া প্যাসেফিক কনসালটেন্ট গ্রæ এর কর্মকর্তারা  (Spa com Bd Ltd) এর আজ বৃহষ্পতিবার সিটি মেয়রের দপ্তরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন এর সাথে এক বৈঠক করেন। সাউথ এশিয়া প্যাসেফিক কনসালটেন্ট গ্রæ এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ম্যালকম ক্যামেরন পরিচালকর্  মোছাদ্দেক শহীদ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, অতি.প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ কে এম রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী সহ বিভাগীয় প্রধানগণ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ম্যালকম ক্যামেরন রোড সুইপিং ভেহিকেল সংক্রান্ত বিষয়ে একটি পাওয়ার প্লান্ট প্রেজেনটেশন করেন। উক্ত পাওয়ার প্ল্যান্টের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়ক সমুহের ময়লা-আবর্জনা পরিস্কারে সুপিং ভেহিকেল কার্যকারিতা উপস্থাপন করেন। তিনি সুইপিং ভেহিকেল এর মাধ্যমে  ধুলাবালি থেকে শুরু করে আবর্জনা এমনকি  ইট শুরকি পর্যন্ত অপসারন  এবং এই কাজে সুইপিং ভেহিকেল ব্যবহারের জন্য ঘন্টায় ১২ লিটার পর্যন্ত ডিজেল প্রয়োজন হবে বলে তিনি সিটি মেয়রকে অবহিত করেন। মেয়র প্রেজেন্টেশনটি অবলোকন করেন এবং বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

 

চসিক মিডওয়াইফারী থেকে প্রশিক্ষিত হয়ে সারা দেশে  চসিক এর

সুনাম ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান সিটি মেয়রের

চট্টগ্রাম- জুলাই ২০১৮

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন বলেছেন, মিডওয়াইফারীদের আচার-আচরণ ব্যবহার দিয়ে রোগীদের মন জয় করতে হবে- যাতে প্রসুতি মায়েরা আশ্বস্থ হয়। সিটি কর্পোরেশন মিডওয়াইফারী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সারা দেশে দায়িত্ব পালনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সুনাম সুখ্যাতি ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান মেয়র। তিনি বলেন, বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স চালু হওয়াতে মিডওয়াইফারীদের দক্ষতা আরো বৃদ্ধি পাবে। আজ বৃহস্পতিবার, নগরীর ফিরিঙ্গীবাজারস্থ সিটি কর্পোরেশন মিডওয়াইফারী ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মিডওয়াইফরীর ১৮ তম ব্যাচের বিদায় এবং ১৯তম ব্যাচের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র  কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী,মেমন মাতৃসদন হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. প্রীতি বড়য়া, মাতৃসদন হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. আশিষ মূখার্জি, ডা. হাসান মুরাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. আমেনা মোস্তফা মুনমুন। অনুষ্ঠান শেষে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে তাদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী এবং বিদায়ীদের উপহার দিয়ে বিদায় জানান প্রধান অতিথি সিটি মেয়র নাছির উদ্দীন।

 

 

সংবাদদাতা

রফিকুল ইসলাম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন