Press Release 07-01-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ৭ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর  ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের যৌথ উদ্যোগে

১৪ জানুয়ারি লালদিঘির ময়দানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের  সভাপতি আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোক সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত

৭ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. রবিবার,সন্ধ্যায়, নগর ভবনে মেয়র দপ্তরে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর  ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের যৌথ সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মরহুম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোক সভা আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. রবিবার বেলা ২ টায় ঐতিহাসিক লালদিঘীর ময়দানে আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রদূত নুরুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী উপস্থিত ছিলেন। সভায় ১৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক লালদিঘীর ময়দানে সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোক সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপিকে আমন্ত্রণ জানানো এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে চট্টগ্রাম এর মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দদের আমন্ত্রণ জানানোরও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় ১৪ জানুয়ারির শোক সভা সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের আওতাধীন থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদের দায়িত্ব পালন করার আহবান জানানো হয়।

 

চট্টগ্রাম- ৭ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

বর্ষার র্পূবেই নগরীর ৫৭টি খাল থেকে মাটি ও আবর্জনা

উত্তোলন করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর ৫৭টি খাল থেকে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করেছে। ৭ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. রবিবার, সকালে চাক্তাই খালের বহদ্দারহাট অংশ থেকে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি স্কেভেটরের মাধ্যমে মাটি তুলে ট্রাকে ফেলে এবং মুনাজাতের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। পরে তিনি চাক্তাই খালের পাড় দিয়ে পায়ে হেটে চকবাজার ফুলতল পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকার বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন এবং ৫টি পয়েন্টে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম সচোখে অবলোকন করেন। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম ওয়াসার ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান-২০১৬ অনুযায়ী এই ৫৭টি খালকে ৬টি জোনে বিভক্ত করে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এ কার্যক্রম আগামী বর্ষার পূর্বে সম্পন্ন করার টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে সুধিজনদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় চলতি অর্থ বছরে সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে সম্ভাব্য ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে খালগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি, সংস্কার, মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগ পর্যন্ত অর্থাৎ আনুমানিক মার্চ মাস পর্যন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে। গত বছরও খাল খনন খাতে প্রায় ৭ কোটি টাকার বাজেট নির্ধারিত ছিল। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জনসাধারণকে খাল,নালা-নর্দমা বা যত্রযত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং এ বিষয়ে তাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। মেয়র এ ব্যাপারে সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহবান জানান। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, নাগরিক সচেতনতা ছাড়া সিটি কর্পোরেশন ও সরকারের পক্ষে কখনোই জলাবদ্ধতা নিরসন করা সম্ভবপর হবে না। মেয়র উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, গত বছরও একই কার্যক্রম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালনার পরও চাক্তাই খালের বর্তমান অবস্থা প্রায় একই রকম। জনগণ অসচেতনভাবে সমস্ত ময়লা বর্জ্য নালা, নর্দমা আর খালগুলোতে ফেলছে। তার উপর রয়েছে পাহাড়ি সিলটেশন।পাহাড় ক্ষয় হয়ে বালিগুলো এসে খালে পড়ছে। নালা নর্দমার বর্জ্য এসে পড়ছে খালগুলোতে। ফলে বছর যেতে না যেতেই খননকৃত খাল আবার ভরাট হয়ে যাচ্ছে।সরকার বা সিটি কর্পোরেশনের বাজেট তো সীমিত। জনগণকে এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে হবে। মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন কালে স্থানীয় কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু ছালেহ, আনোয়ার হোসাইন, নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, মো. ফরহাদুল আলম, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম সহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনায় ৫৭টি খালকে কেন্দ্র করে সংস্কারের জন্য ৬টি জোনে বিভক্ত করে ৬ জন প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তন্মমধ্যে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম এর তত্ত্বাবধানে মহেশ খাল, মহেশ খাল ডাইভারশন খাল, মহেশখালী খাল, নাসির খাল, রামপুর খাল, গয়নার ছড়া খাল, কুমার খাল (ডেজিং)ও পাকিজা খাল,কাট্টলী খাল(পরিস্কারকরণ)মোট ৯টি খালের ১৮.২ কি.মি অংশ, তত্ত্বাবধানে প্রকৌশলী আবু ছালেহর তত্ত্বাবধানে পতেঙ্গা নিজাম মার্কেট খাল, ১০নং, ১১নং, ১২নং, ১৩নং, ১৪নং, ১৬নং (পরিস্কারকরণ) ও ১৫নং খাল, গুপ্ত খাল,রুবি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি খাল (ড্রেজিং),নয়ার হাট খাল,ছাগলনাইয়া খাল,সৈকত খাল,স্লুইজ গেইট ১নং,২নং ও ৮নং সংযুক্ত খালসহ (পরিস্কারকরণ) মোট ১৬টি খালের ৪৩.৫০ কি.মি অংশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল হুদার তত্ত্বাবধানে সদরঘাট খাল ১নং,২নং,মোগলটুলী খাল,ফিরিঙ্গিবাজার খাল,টেকপাড়া খাল,কলাবাগিচা খাল ও মরিয়ম বিবি খাল (পরিস্কারকরণ) মোট ৭টি খালের ৪.৮০ কি.মি অংশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোছাইনের তত্ত্বাবধানে চাক্তাই খাল,বদরখালী খাল,জামালখান খাল, চট্টেশ্বরী খাল,হিজড়া খাল,চাক্তাই ডাইভারশন খাল (পরিস্কারকরণ),রাজাখালী খাল,রাজাখালী খাল-১,চাক্তাই হতে রাজাখালী খাল (ড্রেজিং) ও বির্জা খাল (পরিস্কারকরণ)মোট ১০টি খালের ২৭.২০ কি.মি অংশ, একই প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে বির্জা খাল,ডোমখালী খাল,বালুখালী খাল,গেইট খাল,মির্জা খাল,ত্রিপুরা খাল,শীতল ঝর্ণা খাল,বামুনশাহী খাল,উত্তরা খাল(পরিস্কারকরণ) ও নোয়া খাল(ড্রেজিং)সহ মোট ১০টি খালের  ৩৩.৪০কি.মি অংশ এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ফরেষ্ট খাল,কৃষ্ণখালী খাল,কুয়াইশ খাল,খন্দকিয়া খাল ও যুগীর খোল খালসহ মোট ৫টি খালের ১৬.১০ কি.মি (পরিস্কারকরণ) অংশ।

 

চট্টগ্রাম- ৭ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনায়নে ১৯টি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ

৫৭টি প্রতিষ্ঠানের সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত

নাগরিক সেবার স্বার্থে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাজস্ব আদায়ে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে ৭ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. রবিবার, দুপুর থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১৯টি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের সাথে বৈঠক করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এতে সভাপতিত্ব করেন। রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জালাল উদ্দিন আহমেদ, অধ্যক্ষ ডা. সেলিম জাহাঙ্গীরসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার পল্লীউন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু কিশোর মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের বকেয়া পৌরকর বাবদ প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার চেক মেয়রের নিকট হস্তান্তর করা হয়। বকেয়া পৌরকর ও হালনাগাদ পৌরকর আদায়ের লক্ষ্যে ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সমূহের সচিবের নিকট পত্র প্রেরণ করে। পত্রের আলোকে আজ এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকের পূর্বেও অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের পৌরকর পরিশোধ করে দিয়েছে। বৈঠকে সকল প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পৌরকর পরিশোধের বিষয়ে একমত পোষন করেন। তারা তাদের উপর ধার্য্যকৃত বকেয়া ও হালনাগাদ পৌরকর পরিশোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে আশস্থ করেন। এ বৈঠকে যে কয়েকটি সংস্থা উপস্থিত হতে পারে নি তাদেরকে বৈঠকের সিদ্ধান্ত পত্রের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভাপতির ভাষনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নাগরিক সেবার স্বার্থে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সম্মানিত নাগরিকগণ পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য সুবিধার জন্য যেভাবে বিল পরিশোধ করে সেবা পেয়ে থাকেন ঠিক একই ভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পৌরকর পরিশোধ করে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে হবে। নাগরিকদের সেবা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রাজস্ব আদায় ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা নেই। বাস্তবতাকে অনুধাবন করে তিনি নাগরিকদের নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করার আহবান জানান। মেয়র বলেন, সরকারি-বেসরকারি সকলের সমুন্নত পৌরকর প্রদানের পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করতে চাই। তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে পৌরকর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সাংবাদিকদের আহবান জানান। মেয়র বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গেলে নানামুখি চ্যালেন্স ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়। এ নগরী সকলের আমরা সবাই দায়িত্ব নিয়ে সহযোগী হলে চট্টগ্রামের বাস্তব চিত্র পরিবর্তন করা সম্ভব হবে এবং চট্টগ্রামকে নান্দনিক ও বিশ্বমানের নগরে পরিনত করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে মেয়র সকল শ্রেণী ও পেশার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা