Press Release 07-03-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ০৭ মার্চ ২০১৮খ্রি.  

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ক্যাম্পেইন বাংলাদেশ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত ও মতবিনিময়

৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি.বুধবার,চসিক সম্মেলন কক্ষে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ক্যাম্পেইন বাংলাদেশ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়ে তারা থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। প্রস্তাবনায় তারা  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধীন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত স্কুল ও কলেজে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং করাতে উদ্বুদ্ধকরন, ব্যানার,ফেস্টুন,লিফলেট এবং স্টিকার লাগানোর অনুমতি এবং হাসপাতাল সমূহে গর্ভবতি মহিলাদের প্রসুতিপূর্ব সেবার সাথে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা, সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত হাসপাতাল সমূহে স্বল্প খরচে অথবা বিনা খরচে হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস টেস্টের ব্যবস্থা করা, চসিক প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধমূলক শ্লোগান প্রচার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ক্রিনিং টেষ্ট করতে উদ্বুদ্ধ করা, ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রম পরিচালনায় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা করার প্রস্তাব তুলে ধরেন। মতবিনিময়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে প্রস্তাবনা সমূহ কার্যকর করার বিষয়ে একমত পোষন করে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। এসময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রফেসর ডা. সাহেদ আহমদ, বাফা পরিচালক খায়রুল আলম সুজন, সিটি ব্লাড ব্যাংকের এডমিন সূর্য সেন উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ০৭ মার্চ ২০১৮খ্রি.  

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন  রাজস্ব আদায়ের জন্য সম্মাননা প্রদান

৬ মার্চ ২০১৮ খ্রি. সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাজস্ব সার্কেল-০২ এর উদ্যোগে  ত্রৈমাসিক রাজস্ব আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেলের কর্মচারীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছেন। এ উপলক্ষে কর কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপ কর কর্মকর্তা এস.এম আজম খান এর সঞ্চালনায় সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে লাইসেন্স ফি আদায়ের জন্য সার্কেলের কর আদায়কারী রূপায়ন বড়ুয়া, সাখাওয়াত হোসেন ও বছির উদ্দিন এবং অনুমতিপত্র পরিদর্শক মো: আকবর আলী(আকাশ), মো: লোকমান হাকিম এবং মো: ফোরকান চৌধুরীকে উৎসাহ সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান নাগরিক সেবা গতিশীল করার লক্ষ্যে মাননীয় মেয়রের প্রত্যাশানুযায়ী  অধিক হারে কর আদায়ের নির্দেশ দেন।  অনুষ্ঠানে উপ-কর কর্মকর্তা  মো: নাছির উদ্দিন চৌধুরী, রাশেদুর রহমান, মো: নুরুল ইসলাম, রূপম কান্তি চৌধুরী সহ রাজস্ব শাখার অন্যারা  উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ০৭ মার্চ ২০১৮খ্রি.  

সিটি মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে পোর্ট ইক্যুইপমেন্ট

প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কোনেক্রেনপ্রতিনিধি দল

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশেনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে ০৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি. বুধবার বুধবার দুপুরে কর্পোরেশনের কনফারেন্স হলে বহুজাতিক পোর্ট ইক্যুইপমেন্ট ম্যানুফেকচারার কোম্পানী কোনেক্রেনএর একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য স্বাক্ষাত করতে আসেন। মেয়র স্বাক্ষাতে আসা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান। এসময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। এ নগরে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর অবস্থিত। দেশের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালনার কারনে চট্টগ্রাম বন্দর রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির গতি সঞ্চারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে যাচ্ছে। এছাড়াও প্রাকৃতিক,ভৌগলিক,পর্যটন ও অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় চট্টগ্রামের  গুরুত্ব অপরিসীম। সিটি মেয়র চট্টগ্রামে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে জানিয়ে সাক্ষাতে আসা কোনেক্রেনএর প্রতিনিধি দলকে এখানে বিনিয়োগের আহŸান জানান।এসময় কোনেক্রেনএর এশিয়া প্যাসিফিক এর সেলস্ ডিরেক্টর মাওরিজিও আলটিরী (Maurizio Alteeri) তাদের প্রস্তুতকৃত সব ধরনের বন্দর ইকুইপমেন্ট সম্পর্কে মেয়রকে অবহিত করেন। ১৯৩০ সালে যাত্র শুরুর পর থেকে ভারি পণ্যবাহী কন্টেইনার,পরিবহন ও যন্ত্রাংশ স্থানান্তরে কোনেক্রেনক্রেন সহ বিভিন্ন ধরনের পোর্ট ইক্যুইপমেন্ট প্রস্তুত করে আসছে। বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহনে তাদের প্রস্তুতকৃত সব ধরনের ক্রেন ও লিফটিং প্রোডাক্ট এর শুনাম রয়েছে বলে কোনেক্রেনএর প্রতিনিধি দল দাবি করেন। সাক্ষাতকালে কোনেক্রেনএর অথরাইজড ডিস্ট্রিবিউটর বড়তাকিয়া গ্রুপের এমডি ও খুলশি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, “কোনে ক্রেনএর প্রোডাক্ট ম্যানেজার যুহা রান্টালা ( Juha Rantala) বড়তাকিয়া গ্রুপের পরিচালক গিয়াস উদ্দিন, “কোনেক্রেনএর সাউথ এশিয়ার সেলস্ ডিরেক্টর সিয়াম পাঠাক (Shyam Pathak), বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার আহসান, বড়তাকিয়া গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বাধন সাহা, ম্যানেজার মো. জুনায়েদ ইজদানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

চট্টগ্রাম- ০৭ মার্চ২০১৮খ্রি.  

১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডস্থ গরিবউল্লাহ্ শাহ হাউজিং, কুসুমবাগ আ/এ ও বাইতুল আমান হাউজিং সড়কের ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ ২ হাজার ৫ শত টাকার উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন মেয়র

এডিপির অর্থায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডস্থ গরিবউল্লাহ্ শাহ হাউজিং, কুসুমবাগ আ/এ ও বাইতুল আমান হাউজিং সড়কের ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ ২ হাজার ৫ শত টাকার উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি গত ৬ মার্চ ২০১৮ খ্রি. মঙ্গলবার দুপুরে ফলক উম্মোচন ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এসকল উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন।এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর এ এফ কবির আহমদ মানিক, মনোয়ারা বেগম মনি, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো.আনোয়ার হোছাইন, মুনিরুল হুদা, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে গরিব উল্লাহ শাহ হাউজিং মাঠে ১৪ নং লাল খান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক সুধি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সিদ্দিক আহমদ। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ এফ কবির আহমদ মানিক, ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন, ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোরশেদুল আলম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, ব্যবসায়ী নেতা কাজী মো. হারুনুর রশিদ, সমাজ সেবক ইঞ্জি. মহিউদ্দিন আহমেদ, ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান জেবিন, সাধারন সম্পাদক ওয়াসিম উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা সনেট চক্রবর্তী সহ অন্যরা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, তাঁর মেয়াদের মধ্যে নগরীর অলিগলি রাজপথ সম্পুর্ন পাকা করা হবে এবং এলইডি লাইটিং এর মাধ্যমে নগরীকে আলোকিত করা হবে। তিনি বলেন, তার ভিশন অনুযায়ী চট্টগ্রামকে নান্দনিক সাজে সাজানো হচ্ছে। এ কার্যক্রমের আওতায় সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ডে ১৮ কোটি ৪৩ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার উন্নয়ণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। চট্টগ্রামকে বিশ্বমানের বাসপোযোগী নান্দনিক শহর গড়ার প্রত্যয় বাস্তবায়ন করা হবে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, কর্ণফুলীর নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার সহ পার্বত্য জেলার সাথে চট্টগ্রাম নগরীর যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে নগরীর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে মেগাসিটিতে পরিণত হবে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়ন হবে। মেয়র বলেন, আসন্ন মেগাসিটির কনসেপ্ট থেকে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নিয়মিত পৌরকর দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল রাখতে নাগরিকদের প্রতি আহŸান জানান।

 

চট্টগ্রাম- ০৭ মার্চ২০১৮খ্রি.  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে নগরীকে নান্দনিক সাজে সাজানোর আহবান মেয়রের

বার আউলিয়ার পূণ্যভূমি,বন্দরনগরী,প্রাচ্যের রাণী ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম এর উন্নয়নের কান্ডারী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রামে  আগমণকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীকে নান্দনিক সাজে সাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি ৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি. বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভাগীয়, শাখা ও প্রকৌশল বিভাগের প্রকৌশলীদের সাথে এক বৈঠকে  এ নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে পরিচ্ছন্ন,পরিবেশ বান্ধব ও নান্দনিকতার স্বার্থে নগরীতে চলমান সড়ক কর্তন সহ নানামুখি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে পরিবেশ উন্নয়নের স্বার্থে সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাকে এক যোগে কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন, শাহ আমানত ব্রিজ থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত নগরীর প্রধান সড়ক, ভিআইপি সড়ক, অলিগলি,নালা-নর্দমা, মিডআইল্যান্ড,গোলচত্বর, আশপাশের দোকানপাট সব কিছুকে পরিবেশের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। মেয়র বলেন, চট্টগ্রামবাসীর সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার অভাবনীয় অবদান রেখে যাচ্ছে। অন্য যে কোন নগরীর তুলনায় চট্টগ্রামে উন্নয়ন কার্যক্রম বহগুনে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এসবই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টির কারনে সম্পন্ন হচ্ছে। মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমণ উপলক্ষে স্ব স্ব কর্তব্য ও দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাওয়ার আহবান জানান। সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফিয়া আখতার, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মন্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাহফুজুল হক, আনোয়ার হোছাইন, আবু সালেহ, মুনিরুল হুদা, কামরুল ইসলাম,জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম সহ নির্বাহী ও সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ০৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফিয়া আখতার এর নেতৃত্বে ৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি. বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে আন্দরকিল্লা এলাকায় অবৈধভাবে  রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকানের মালামাল স্তুপ করে  ব্যবসা করার অপরাধে  ফলের দোকানের মো. হারুনকে ৫ হাজার, মো. জামালকে ৫ হাজার, মো. জসিমকে ২ হাজার, মো. ফরিদকে ৫ হাজার, বুলবুল ফার্মেসীর সাইফুলকে ৫ হাজার,  গাউসিয়া স্টোরের জাহিদকে ৫ হাজার, ফুলকলির মো. এরশাদকে ৫ হাজার, বই দোকানের আবদুল বাতেনকে ৫ হাজার, লাকি স্টোরের শহিদুলকে ৫ হাজার, বই দোকানের মো. আকতারকে ২ হাজার, রাস্তার উপর অবৈধভাবে গাড়ী পার্কিং এর অপরাধে জাহেদ কে ২ হাজার, সাজ্জাদকে ২ হাজার, ইউনুসকে ২ হাজার, মো. সুমনকে ১ হাজার, মো. আরিফকে ৫ শত, সিটি কর্পোরেশনে র ট্রেডলাইসেন্স বিহীন ব্যবসা করার অপরাধে চক বাজার কেয়ারী ইলিশিয়ামের শাকেরা কালেকশনকে ৫ হাজার, কেয়ারী ওমেক্সকে ৫ হাজার সৈয়দ স্টোরের মাহিন শপকে ৪ হাজার, ব্রান্ড কালেকশনকে ৫ হাজার, জান্নাতুল স্টোরকে ২ হাজার, ডব্লিউকে কসমেটিককে ৫ হাজার, রাশেদ কসমেটিককে ২ হাজার, রিদুয়ান স্টোরকে ৪ হাজার এবং চক বাজার এলাকায় হেদায়েত ক্রোকারিজকে ২ হাজার, জারিয়া ক্রোকারিজকে ২ হাজার ও ফেমাস বোরকা হাউসকে ৫ হাজার টাকা সহ মোট ৮৯ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব সার্কেল-২ সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা করেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন