Press Release 07-09-2017

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- সেপ্টেম্বর ২০১৭খ্রি.

সিটি মেয়র নাছির উদ্দীনকে দেখতে এলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, কাষ্টম কমিশনার, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ  এর নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকবৃন্দ

চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামরত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীনকে দেখতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমিন, কাষ্টম কমিশনার এস এম আবদুল্লাহ খান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের কমান্ডার মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন ইউনুস, এম আউয়াল চৌধুরী বুলু, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন  এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রি. সন্ধ্যায় মেয়রের বাসভবনে আসেন। তারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁর শারিরিক অবস্থার খোজ খবর নেন এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। তারা আল্লাহর দরবারে মেয়রের সুস্থতা কামনা করেন। এসময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহনগর ইউনিটের সাবেক কমান্ডার আবু সাঈদ সর্দার,মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম, সহকারী কমান্ডার সাধন বিশ্বাস, সম্পাদক পান্টু লাল সাহা, এস.এম আকবর খান, সহকারী কমান্ডার খোরশেদ আলম, রফিকুল ইসলাম, গোলাম রহমান, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, আবুল খায়ের পাটোয়ারী, জাকির হোসেন, কোতোয়ালী থানা কমান্ডার সুরঞ্জন নাথ সেন, ডবলমুরিং থানা কমান্ডার দোস্ত মোহাম্মদ, পাহাড়তলী থানা কমান্ডার হাজী জাফর আহমদ, হালিশহর থানা কমান্ডার হাজী মো. ইউনুস, আকবরশাহ থানা কমান্ডার মো. সেলিম উল্লাহ, চান্দগাঁও থানা কমান্ডার কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, বাকলিয়া থানা কমান্ডার হাজী আলী হোসেন, বন্দর থানা কমান্ডার কামরুল আলম যুতু, পতেঙ্গা থানা কমান্ডার এমরান গাজী সহ মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন। সমবেদনা জানাতে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, তিনি মুখে যা বলেন বাস্তবে তা- করেন তার প্রমান বিলবোর্ড উচ্ছেদ এবং হকারদের শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসা। তিনি তার সকল ওয়াদা একে একে বাস্তবায়ন করে নগরবাসীর কাংখিত প্রত্যাশা পূরণে আশাবাদী বলে অভিমত প্রকাশ করেন। মেয়র নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সহ সকল শ্রেনী পেশার সহযোগিতা কামনা করেন।

 

চট্টগ্রাম- সেপ্টেম্বর ২০১৭খ্রি.

ফুটপাত হকারদের সিটি মেয়রের ধন্যবাদ

চট্টগ্রাম নগরবাসীর নির্বিঘেœ চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে নগরীর হকারবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আহবানে সাড়া দিয়ে শৃংক্সখলার মধ্যে আসায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন হকারদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আজ এক বার্তায় বলেন, হকারদের শৃংখলার মধ্যে ফিরিয়ে আনার লক্ষে হকার্স সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সাথে ইতিপূর্বে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে পবিত্র ঈদুল আযহার পর থেকে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে (বিকাল টা থেকে রাত ১০ টা) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় পথচারীদের অসুবিধা সৃষ্টি না করে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সম্মানিত হকাররা ঐক্যমত পোষন পূর্বক বর্তমানে বিগত প্রায় ৫০ বছর সময়কাল ধরে ফুটপাতে দিনের বেলায় বিশৃক্সখল ভাবে পরিচালিত ব্যবসা নগরবাসীর স্বার্থে বন্ধ করায় এবং তাঁর প্রতি শতভাগ আস্থা বিশ্বাস রেখে বর্তমানে হকারবৃন্দ তাদের দখল ছেড়ে দেয়ায় মেয়র নাছির উদ্দীন হকারবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন ধন্যবাদ জানান।  মেয়র বলেন বর্তমানে হকাররা সপ্তাহের শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত বিকাল টা থেকে রাত ১০ টা, বৃহস্পতিবার বিকাল টা থেকে রাত ১০ টা এবং শুক্রবার সরকারি বন্ধে সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট স্থানে মাটিতে ত্রিপল বিছিয়ে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাবে। দরিদ্র হকাররা যাতে তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করে নিজ জীবন যাপন করতে পারে এবং নগরীর স্বল্প আয়ের নগরবাসী যাতে নিজ ক্রয় ক্ষমতার সঙ্গে জীবন ধারনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারে সেজন্য মানবিক বিবেচনায় হকারদের  উল্লেখিত নির্দ্দিষ্ট সময়ে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। মেয়র নগরবাসীকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।

 

চট্টগ্রাম- সেপ্টেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রি. বৃহষ্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে কোতোয়ালী থানাধীন নিউ মার্কেট মোড় থেকে কোর্ট বিল্ডিং এর গেইট পর্যন্ত শহীদ সরওয়ার্দী রোড নিউ মার্কেট থেকে শাহ আমানত মার্কেট পর্যন্ত জুবলী রোডের উভয় পাশের ফুটপাত রাস্তার উপর নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও অবৈধভাবে বসা শতাধিক ভাসমান দোকানপাট রক্ষিত দোকানের অবকাঠামো অপসারন করা হয়। 

অভিযানকালে স্থানীয় আলকরন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম, ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, বিভিন্ন হকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেটকে সহায়তা করেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা