Press Release 08-01-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

জলাবদ্ধতা নিরসনে মহেষ খালের মাটি ও আবর্জনা

উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মেয়র

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়ন ও যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খালের মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম চলছে। ৮ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সোমবার, সকালে সাগরিকা পয়েন্ট থেকে মহেষখালের মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি স্কেভেটরের মাধ্যমে মাটি তুলে ট্রাকে ফেলে এবং মুনাজাতের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন। পরে তিনি মহেষ খালের পাড় দিয়ে পায়ে হেটে খালের বাস্তব অবস্থা প্রত্যক্ষ করেন এবং ৩টি পয়েন্টে স্কেভেটরের মাধ্যমে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম সরেজমিনে দেখেন। মহেষখালটি চট্টগ্রাম নগরীর ১০, ১১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৬ ও ৩৭নং ওয়ার্ডের প্রায় ১৩.৫ কি.মি. এলাকায় অবস্থান রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে  অতি জোয়ার এবং বর্ষার পানির কারণে উল্লেখিত ওয়ার্ড সমূহের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ দেখা দেয়। নাগরিকদের এই দুর্ভোগ নিরসনে চট্টগ্রাম ওয়াসার ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান-২০১৬ অনুযায়ী নগরীর ৫৭টি খালকে ৬টি জোনে বিভক্ত করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কার্যক্রম আগামী বর্ষা শুরুর পূর্ব মূহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে এ বছর মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সম্ভাব্য ১০ কোটি টাকা ব্যয় ধার্য্য করেছে। মহেষখালের মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম উদ্বোধন ও খাল পরিদর্শনকালে স্থানীয় কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী, শৈবাল দাশ সুমন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম মানিক সহ সংশ্লিষ্ট নির্বাহী  প্রকৌশলীসহকারী প্রকৌশলী ও উপসহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনের সময় উপস্থিত স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, খাল সমূহের উভয় তীরের বাসিন্দারা খাল ভরাট, দখল এবং স্থাপনা নির্মাণ করছে। তাদের কারণে লাখ লাখ মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সে কারণে চসিক অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খাল উদ্ধার, খালের নাব্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহন করেছে। তিনি  জনসাধারণকে খাল,নালা-নর্দমা বা যত্রযত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করার আহবান জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে তাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। মেয়র সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণমাধ্যম সহ সর্বস্তরের জনগনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

 

চট্টগ্রাম- ৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

সাগরিকায় স্থাপিত নতুন এ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট এবং

নির্মাণাধীন স্কেল পরিদর্শন  করেন মেয়র

অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুনগত মান সঠিক রাখার লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ও ঘন্টায় ১ শত টন ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন এ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এডিপির অর্থায়নে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ প্রকল্পটি ৮ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সোমবার, দুপুরে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন । তিনি অত্র প্ল্যান্টের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। পরে তিনি প্ল্যান্টের দুপাশে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধিন স্কেলও পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে মেয়র স্কেল নির্মাণকাজে নিয়োজিতদের নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করার তাগাদা দেন। এসময় কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম মানিক সহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাবেক সাংসদ

মোহাম্মদ ইউসুফ কে দেখতে গেলেন মেয়র

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এর নির্বাচণী এলাকা চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া থেকে নৌকা প্রতীক এ প্রথম নির্বাচিত সাংসদ গুরুতর অসুস্থ মোহাম্মদ ইউসুফ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তত্বাবধানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন  ৮ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সোমবার, দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ  সাবেক এ সাংসদ মোহাম্মদ ইউসুফকে দেখতে যান। তিনি তার শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করে চিকিৎসার খোজ খবর নেন। এসময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ডাক্তার, কাউন্সিলর, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। মেয়র আল্লাহর দরবারে মোহাম্মদ ইউসুফ এর আশু আরোগ্য কামনা করেন।

 

চট্টগ্রাম- ৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান

পলিটিকেল কাউন্সিলর বেরী ব্রিস্টম্যান এর সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে তাঁর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান পলিটিকেল কাউন্সিলর বেরী ব্রিস্টম্যান ০৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.সোমবার, দুপুরে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর দপ্তরে কানাডিয়ান পলিটিকেল কাউন্সিলর বেরী ব্রিস্টম্যান উপস্থিত হলে মেয়র তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান।  সৌজন্য বৈঠকে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বাংলাদেশের সাথে কানাডার বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্কের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার কানাডা। তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নের নানা দিক কাউন্সিলরকে অবহিত করেন। এছাড়াও মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সেবার দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে চট্টগ্রামে সকল রাজনৈতিক দলের সহঅবস্থান রয়েছে। এখানে জঙ্গি তৎপরতার কোন লক্ষণ নেই। চট্টগ্রাম এর আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচণ উপলক্ষে চট্টগ্রামে তেমন কোন উত্তাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সম্প্রিতির বন্ধন চট্টগ্রামে অটুট আছে। মেয়র চট্টগ্রাম বন্দর এবং বাণিজ্যিক রাজধানীর সুবিধা সমূহ তুলে ধরে বলেন, চট্টগ্রাম শান্তি ও বিনিয়োগ বান্ধব নগরী। এ নগরী দেশী বিদেশী সকল মানুষের নিরাপদ স্থান।  তিনি কানাডার পলিটিকেল কাউন্সিলর এর মাধ্যমে চট্টগ্রামে বিনিয়োগে অবদান রাখার জন্য কানাডার প্রতি আহবান জানান। সৌজন্য বৈঠকে কানাডিয়ান পলিটিকেল কাউন্সিলর বেরী ব্রিস্টম্যান মেয়রের নিকট চট্টগ্রামের রাজনৈতিক , সামাজিক ও ব্যবসা বাণিজ্য বিষয়ে নানা দিক জানতে চান। সৌজন্য বৈঠকে সিটি কর্পোরেশনের   প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, বাংলাদেশস্থ কানাডিয়ান দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর ৪১ টি ওয়ার্ডে

১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে খানাভাণ্ডার শুমারি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১ ওয়ার্ডে খানাভাণ্ডার শুমারি শুরু হচ্ছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ খ্রি. থেকে এ খানাভাণ্ডার শুমারি শুরু হয়ে তা ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. পর্যন্ত চলবে। ৪১ ওয়ার্ডে ১৫২টি জোনে ভাগ হয়ে ২৯৫৭ জন গননাকারী ও ৫৪১ জন সুপারভাইজাারের মাধ্যমে এ খানাভাণ্ডার শুমারি কাজ সম্পন্ন করা হবে। ৪১ ওয়ার্ডে আগামীকাল ৯ জানুয়ারি থেকে ১১ ই জানুয়ারি পর্যন্ত শুমারির কাজে নিয়োজিত সুপারভাইজার, গণনাকারীদের জন্য এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে সভাপতি ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এ কাজের সার্বিক দায়িত্ব তদারকি করবেন। ০৮ জানুয়ারি ২০১৮খ্রি.সোমবার, বিকেলে খানা ভাণ্ডার শুমারি উপলক্ষে ন্যাশনাল হাউজ হোল্ড ডাটা বেইজ (এনএইচডি) প্রকল্পের আওতায় বিভাগীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত চসিক শুমারি কমিটির সভায় এ তথ্য পাওয়া যায়। চসিক আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এতে প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, জোবাইরা নার্গিস খান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান ও বিভাগীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর যুগ্ম পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন  খানাভাণ্ডার শুমারি কাজে স্ব স্ব ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের জনগুরুত্বপূর্ণ এ সরকারি কাজে সার্বিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার জন্য আহবান জানান। তিনি বলেন, কাউন্সিলরদের দায়িত্বশীলতা ও তৎপরতার উপর নির্ভর করবে এ কাজ সুষ্ঠুভাবে  সম্পাদন করা।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা