Press Release 25-02-2018


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন 

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮খ্রি.

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. শনিবার মন্ত্রীর চোখে নোংরা শহর/পুরো নগরী নোংরা, সিটি কর্পোরেশন কি করছে/ যে দিকে দেখি শুধুই আবর্জনা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের প্রতিবাদ বিবৃতি

গত  ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর আখতারুজ্জামান চৌধুরী উড়াল সড়কের নিচের অংশের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি এর বক্তব্যের সূত্র ধরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. শনিবার বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকে প্রকাশিত  মন্ত্রীর চোখে নোংরা শহর/পুরো নগরী নোংরা, সিটি কর্পোরেশন কি করছে/ যে দিকে দেখি শুধুই আবর্জনা শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত  হয়েছে, এ প্রসঙ্গে  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৫ম নির্বাচিত পরিষদের ৪১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ১৪ টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের  কাউন্সিলরগণ এক যুক্ত বিবৃতি প্রদান করেন। বিবৃতিতে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ বলেন, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের প্রদেয় বক্তব্যের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধিনস্থ সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উজ্জ¦ল ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। এতে করে সরকার ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সর্ব সাধারনের নিকট প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বিবৃতিতে তারা বলেন, মাননীয় মন্ত্রী চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্যের দায়িত্বের পূর্বে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন। এছাড়াও তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী সভায় ইতোপূর্বে মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশণ এলাকায় তাঁর নিজস্ব বাড়ী ঘর রয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র তিনিও চট্টগ্রামের কৃতিসন্তান এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। বিবৃতিতে কাউন্সিলরগণ বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মো. মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার কার্যক্রম নিয়ে যে নগ্ন সমালোচনা করেছেন তা সম্পূর্ন মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  তারা এসকল বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে কাউন্সিলরা বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের এ ধরনের বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধিনস্থ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাসরত নাগরিকগণ মন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যে বিষ্মিত,হতবাক ও হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছেন। কাউন্সিলরবৃন্দ বিবৃতিতে আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরী পূর্বের যে কোন সময়ের চাইতে বর্তমানে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশ বান্ধব। দায়িত্বশীল একজন মন্ত্রীর নির্বাচিত মেয়রের বিরুদ্ধে এ ধরনের বক্তব্যে সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করবে। তারা বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম নগরীকে গ্রীন ও ক্লীন সিটিতে পরিণত করার জন্য ডোর টু ডোরময়লা আবর্জনা পরিষ্কার ও নগরীকে ডাষ্টবিনমুক্ত করার যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে। তাছাড়া বর্তমান মেয়রের একান্ত ইচ্ছায় এখন পুরো নগরীতে রাতে ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ চলছে। প্রতিদিন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রায় ২ হাজার টন ময়লা-আবর্জনা অপসারন করে থাকে। ফলে এখন আর নগরবাসী ও নগরীর কর্মজীবী নাগরিকদের ভোরবেলা ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ সইতে হয়না। ইতোমধ্যে এ ময়লা-আবর্জনা অপসারনের কাজের জন্য নগরবাসীকে সচেতন করার জন্য প্রতিদিন পুরো নগরজুড়ে মাইকিং, ২০ লক্ষ হ্যান্ডবিল বিতরণ, দৈনিক পত্রিকায় ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সচেতনতা মূলক বিজ্ঞাপন  ú্রচার, অতীতের সেবকের সাথে বর্তমান মেয়র  ৪১ টি ওয়ার্ডে ১৭১৪ জন অতিরিক্ত সেবক নিয়োগ দিয়েছে। ৭৭৫ টি ভ্যানগাড়ির মাধ্যমে আবর্জনা অপসারন করা হচ্ছে। ডোর টু ডোর ময়লা আবর্জনা সংগ্রহের জন্য ৯ লক্ষ  ছোট বিন ও ৪ হাজার বড় বিন প্রত্যেক ঘরে ঘরে সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও পুরো নগরীকে দুর্গন্ধমুক্ত নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে  ১৩৭৫ টি কংক্রিট ডাস্টবিন হতে ৭৭৫ টি ডাস্টবিন অপসারন করে উক্ত স্থানে সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফুলের বাগান করা হয়েছে।  এছাড়াও ডোর টু ডোর ময়লা আবর্জনা সংগ্রহের জন্য দুপুর ৩ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কর্পোরেশনের নিয়োগকৃত সেবক ছাড়াও অতিরিক্ত নিয়োগকৃত ১৭১৪ জন সেবক প্রত্যেক ঘর, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করছে। বিবৃতিতে কাউন্সিলরবৃন্দ আরো বলেন, মন্ত্রী মহোদয় জাতিসংঘ পার্ক এর মালিকানা নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাও সঠিক নয়। তারা বলেন, পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত জাতিসংঘ পার্কটির জায়গার পরিমান ২.১৩৯৪ একর। তন্মধ্যে সিএন্ডবি ১৯৬৫ সালে তৎকালীন চট্টগ্রাম পৌরসভার নিকট হস্তান্তর করে। হস্তান্তরের পর দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন উক্ত পার্কের ১.০৩ একর জায়গা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ পূর্বক পার্কের রক্ষণাবেক্ষন কার্য সম্পাদন করে আসছে। বাকী ১.১০ একর জায়গা সড়ক ও জনপথের নামে বলে জানা যায়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রক্ষণাবেক্ষনে থাকা জায়গার বি.এস ৯ নং খতিয়ানের দাগ নং ৬০৩,৬০৪, ৬০৫, ৬০৬ ও ৬০৭ (সম্পূর্ন) জমির পরিমান ১.০৩ একর পৌরসভা তথা সিটি কর্পোরেশনের নামে বি এস নামজারী খতিয়ান চূড়ান্ত আছে। সে প্রেক্ষিতে ১৪২৩ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত খাজনা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পরিশোধ করা হয়েছে। উক্ত পার্কে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন যাবত ফলজ,বনজ ও ঔষধি গাছপালা সহ বিভিন্ন প্রকার ফুলের বাগান করে নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাধ্যমে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যবর্ধন এবং পার্কে আগত দর্শনার্থী ও নাগরিকদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করে আসছে। তাছাড়াও মন্ত্রী মহোদয় আগ্রাবাদস্থ কর্ণফুলী শিশুপার্ক নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাও সঠিক নয় বলে তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।  তারা বলেন, কর্ণফুলী শিশু পার্কের ৮.৮৬ একর জায়গা ২১/০৫/১৯৯২ খ্রি. তারিখে গণপূর্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ২৫ বছর চূক্তি মেয়াদে মেসার্স আনন্দ মেলা লি : এর পক্ষে জনাব মো. আব্বাস উল্লাহকে ইজারা প্রদান করেন। যার মেয়াদ ১৫/১২/২০২৫খ্রি. পর্যন্ত নির্ধারিত আছে। উক্ত পার্কটি বিগত মেয়র মরহুম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময়ে ২০-১২-১৯৯৯ খ্রি. তারিখে ইজারা চূক্তি স্বাক্ষর করা হয়। এতে যা কিছু করা হয়েছে তা সবই বিগত মেয়র মরহুম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে। বিবৃতিতে কাউন্সিলরবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে এমনি ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বানোয়াট অপপ্রচার থেকে বিরত থাকা এবং বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করার জন্য অনুরোধ জানান। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, মিসেস জোবাইরা নার্গিস খান, নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু,তোফিক আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ সাহেদ ইকবাল বাবু, কফিল উদ্দিন খান, মো. সাইফুদ্দিন খালেদ, মোহাম্মদ আজম, এম. আশরাফুল আলম, মোহাম্মদ মোবারক আলী, মো. মোরশেদ আলম, মো. জহুর আলম জসিম,মোরশেদ আকতার চৌধুরী, মো. ছাবের আহমদ, মো. হোসেন হিরন, এ.এফ. কবির আহমদ মানিক, মো. গিয়াস উদ্দিন, সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, এ কে এম জাফরুল ইসলাম, মো. হারুন উর রশিদ, মো. ইয়াছিন চৌধুরী আশু, শৈবাল দাশ সুমন, মো. সলিম উল্লাহ, মোহাম্মদ জাবেদ, নাজমুল হক ডিউক, এইচ এম এরশাদুল্লাহ, মো. আবুল হাসেম, এইচ এম সোহেল, মো. আবদুল কাদের, গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, তারেক সোলায়মান সেলিম, জহর লাল হাজারী, হাসান মুরাদ বিপ্লব,মো. ইসলাইল বালী, হাজী নুরুল হক, হাবিবুল হক, মো. শফিউল আলম, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, জিয়াউল হক সুমন, মো. জয়নাল আবেদীন, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, সৈয়দা কাশপিয়া নাহরিন, মিসেস জেসমিন পারভিন জেসি, আবিদা আজাদ, মনোয়ারা বেগম মনি, ফারজানা পারভিন, আঞ্জুমান আরা বেগম, নিলু নাগ, ফারহানা জাবেদ, জেসমিনা খানম, ফেরদৌসী আকবর, আফরোজা কালাম, লুৎফুনেছা দোভাষ বেবী ও শাহানুর বেগম।

 

চট্টগ্রাম- ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮খ্রি.

সিটি মেয়রের সাথে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে

Vetiver Grass প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞ দলের সাক্ষাত

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. দুপুরে নগরভবনে সম্মেলন কক্ষে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে Vetiver Grass প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি  বিশেষজ্ঞ দল সাক্ষাত করেন।  থাইল্যান্ড থেকে আগত ৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দলটি চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় সমূহ পরিদর্শন  করে তাদের মতামতের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিক ভাবে Vetiver Grass এর পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বৈঠকে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর নিকট রাষ্ট্রদূত থাইল্যান্ড থেকে আগত বিশেষজ্ঞ দলের নগর পরিক্রমা বিষয়ে নানাদিক তুলে ধরেন। এ সময় সিটি মেয়র বলেন, এই নগরের জলাবদ্ধতা এবং পাহাড় ধসে প্রাণহানি- জনদুর্ভোগের সংবাদ দেখে থাইল্যান্ড রাজ ব্যথিত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি রাষ্ট্রদূত মারফত আমাদের সাথে Vetiver Grass প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপারে প্রস্তাব দেন। এ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আমাদের বাঙালি বিজ্ঞানি ড. শরীফুল ইসলামের উদ্ভাবন Vetiver Grass থাইল্যান্ডে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। সেখানে থাইল্যান্ড রাজকন্যা প্রফেসরকে নিয়ে Vetiver Grass প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রামেও Vetiver Grass প্রকল্প বাস্তবায়নের পক্ষে আমাকে পরামর্শ দেন। এতে আমি আগ্রহ প্রকাশ করি। তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞ দল প্রাথমিক ভাবে গরীবউল্লাহ শাহ, আকবর শাহ এবং মতিঝর্ণা এলাকার পাহাড় পরিদর্শন করবেন। একই সাথে অপরাপর পাহাড়ি এলাকাও পরিদর্শন করবেন।তবে আমরা প্রাথমিকভাবে একটি পাহাড়ে এই ঘাসের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করবো। রেজাল্ট দেখে পরবর্তীতে বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চিন্তা ভাবনা করা হবে।

উল্লেখ্য,আগামী ২৮ মে থাইল্যান্ড রাজ বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। আগামী ৩০ মে থাইল্যান্ড রাজের চট্টগ্রাম পরিভ্রমনের কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম পরিভ্রমনের সময় তিনি Vetiver Grass পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। বৈঠকে চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান,প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন,পিএইচপি ফ্যামিলি ভাইস চেয়ারম্যান মো. মহসিন,কাউন্সিলর ইসমাইল বালি,চসিক নগর পরিকল্পনাবিদ রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮খ্রি.

সিটি মেয়র এর সাথে

বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাত

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. রবিবার, সকালে নগরভবনে মেয়র দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডা রাষ্ট্রদূত Mr.Benoit Prefontaine সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাত বৈঠকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সেবাধর্মী কার্যক্রমের বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। মেয়র বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত সেবার বাহিরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সিটি কর্পোরেশনের অবদান গুরুত্বের সাথে বিবেচনার দাবী রাখে। এ দুইটি খাতে কোন ধরনের ট্যাক্স আরোপ না করে বছরে প্রায় ৫৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। মেয়র বলেন, তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমুল পরিবর্তন আনা হয়েছে। নগরবাসী বর্তমানে অনেকটা উন্নত পরিবেশে বসবাস করছে। তিনি বলেন, গুরুত্বের বিবেচনায় চট্টগ্রাম প্রথম স্থানের বন্দরনগরী। চট্টগ্রাম বন্দরকে সম্প্রসারণ করে সক্ষমতা বাড়ানো গেলে চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্প সহ নানামুখী বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশা করেন, চট্টগ্রামের প্রতি সকল মহলের সুদৃষ্টি থাকবে। শষ্য ভান্ডার নামে খ্যাত কানাডার গম ও অন্যান্য কৃষিজাত পণ্যের চাহিদা বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে রয়েছে। বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র কানাডার সাথে বাংলাদেশের রয়েছে গভীর সুসম্পর্ক। কানাডায় অনেক বাঙালি ব্যবসা-বাণিজ্য, অধ্যয়ন, গবেষনা সহ নানান কাজে অবস্থান করছে। বাংলাদেশেও রয়েছে কানাডার অনেক বিনিয়োগ। মেয়র চট্টগ্রামে কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার জন্য রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন। কানাডা রাষ্ট্রদূত Mr.Benoit Prefontaine বাংলাদেশে বিদ্যমান কানাডার ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানী ও রপ্তানি এবং আইটি কার্যক্রম বিষয়ে নানাদিক তুলে ধরে বলেন, চট্টগ্রামে কানাডার অনেক কোম্পানী বর্জ্য থেকে এনার্জি উৎপাদন, সোলারের মাধ্যমে এলইডি লাইটিং এবং স্মার্ট সিটির বিষয়ে পুঁজি বিনিয়োগে আগ্রহী। তারা মেয়রের আমন্ত্রন পেলে এসব খাতে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি সিটি মেয়র এর কার্যক্রমের ভূয়সি প্রশংসা করে বলেন, তার গতিশীল নেতৃত্বে চট্টগ্রামের গৌরব চারিদিকে ছড়িয়ে যাবে।

 

চট্টগ্রাম- ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮খ্রি.

সিটি মেয়রের সাথে বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী

কল্যাণ সমিতি ও দোকান মালিক সমিতির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ও দোকান মালিক সমিতির সাথে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. দুপুরে নগরভবনে কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায়ীদের সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ব্যবসা ও দোকান মালিকানা বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, সহকারী এস্টেট অফিসার এখলাছ উদ্দিন, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবদুল রউফ, সাধারণ সম্পাদক তছকির আহমেদসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ করে ব্যবসায়ীদের দোকান বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন