Press Release 26-02-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি.

মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে  --- সিটি মেয়র

নাগরিক সেবার পাশাপাশি একুশে স্মারক সম্মাননা, স্বাধীনতা

স্মারক সম্মাননা প্রদান সহ বহুমুখী সংস্কৃতি চর্চা করা হচ্ছে

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত ১১ দিন ব্যাপি বই মেলার আজ ছিল সমাপনী দিবস। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. থেকে বই মেলা শুরু হয়।  গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সন্ধ্যায় মুসলিম হল প্রাঙ্গনে একুশ মঞ্চে অমর একুশে স্মারক সম্মাননা পদক, সাহিত্য পুরষ্কার ও সাংস্কৃতিক এবং রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।  এতে সভাপতিত্ব করেন  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ২৪ নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন। মঞ্চে কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের সভাপতি মহিউদ্দিন শাহ নিপু, উপসচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম ও শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এবার মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদক প্রাপ্ত ৯ জন গুণী ব্যক্তিরা হলেন ভাষা আন্দোলনে কৃষ্ণ গোপাল সেন, সমাজসেবায় আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বিএসসি, শিক্ষায় প্রিন্সিপ্যাল সামশুদ্দিন মুহাম্মদ ইসহাক (মরনোত্তর), ক্রীড়ায় ইউসুফ গনী চৌধুরী (মরনোত্তর), সংগীতে সৌরিন্দ্র লাল দাশ গুপ্ত (মরনোত্তর), স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে নূর মোহাম্মদ রফিক (মরনোত্তর),সাংবাদিকতায় পংকজ দস্তিদার, লোক সংগীতে কল্প তরু ভট্টাচার্য, গবেষনায় মুহাম্মদ শামসুল হক এবং ৩ জন সাহিত্য পুরষ্কারে ভুষিত হন তারা হলেন কথা সাহিত্যে রফিক আনোয়ার (মরনোত্তর), নাছের রহমান ও কবিতায় কবি এজাজ ইউসুফী। অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ৯ গুণী ব্যক্তি এবং ৩ সাহিত্যিক এর হাতে একুশে স্মারক সম্মাননা তুলে দেন। এছাড়াও বই মেলায় অংশ গ্রহনকারী স্টল, প্রকাশনী সংস্থা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবার গবেষনায় বলাকা, অন্যান্য ক্ষেত্রে অ্যার্ডন এবং শিশু সাহিত্যে অক্ষর বৃত্ত, স্টলে পেন্সিল, অক্ষর বৃত্ত ও কালধারা পুরস্কৃত হয়। অনুষ্ঠানে মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদকে এবং সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিতদের মধ্যে অনুভুতি ব্যক্ত করেন কবি এজাজ ইউসুফী, কথা সাহিত্যিক নাসের রহমান, মরহুম রফিক আনোয়ারের পুত্র গালিব আনোয়ার আনন, গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক, লোক সংগীত শিল্পী কল্পতরু ভট্টাচার্য, সাংবাদিক পংকজ কুমার দস্তীদার, সংগীত শিল্পী গৌরীন্দ্র লাল দাশগুপ্তের পুত্র সোমনাথ দাশ গুপ্ত। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রজন্ম পরম্পরায় ছড়িয়ে দিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতিবছর বই মেলার আয়োজন করে থাকে। বই মেলাকে আরো গঠনমূলক ও সর্বসাধারণের নিকট গ্রহনযোগ্য করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নাগরিক সেবার পাশাপাশি একুশে স্মারক সম্মাননা, স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা প্রদান সহ বহুমুখী সংস্কৃতি চর্চা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মহান একুশ বাঙালি জাতীয়তাবাদের জাগরণের প্রতীক। ৫২ ভাষা আন্দোলনের ভাষা শহিদদের রক্ত বৃথা যায়নি। বাঙালির অভুতপূর্ব গণজাগরনের ফলে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়। এই রক্তাক্ত ইতিহাসের পথ বেয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি অবিসংবাদিত প্রানপুরুষ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করে আমরা অর্জন করি একটি স্বাধীন পতাকা, বাংলাদেশ নামে সার্বভৌম-স্বাধীন ভুখন্ড। মেয়র বলেন, তাই আজকের দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরন করছি। বাহান্নের রক্তমাখা ২১ ফেব্রুয়ারি আজ গৌরবময় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি আজ পালিত হয় সম্মানের সাথে। আর এ মাতৃভাষা দিবসের মহাত্মা প্রজন্ম পরম্পরায় পৌছে দেয়ার উদ্দেশ্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবার শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করছে। মেয়র বলেন, জাতীয় জীবনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েকজন কীর্তিমান ব্যক্তিত্বকে মানব সমাজ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অবদনের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদক প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা এবার একুশে স্মারক সম্মাননায় ভুষিত হয়েছেন চট্টগ্রাম নগরবাসীর পক্ষ হতে এসব কৃতিমানদের মূল্যায়নের এ প্রয়াসে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। আগামী প্রজন্ম জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বার জন ব্যক্তিত্বের কৃতিত্বপূর্ন অবদান স্মরন করে দেশপ্রেম, নিষ্ঠাবান, সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মানে নিজেদের উদ্বুদ্ধ করবে এ আশা ও বিশ্বাস পোষন করেন মেয়র।

চট্টগ্রাম- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি.

বিটাক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে পৌরকর বাবদ

৩১ লক্ষ ২৮ হাজার ১৪৪ টাকা পরিশোধ করল

বাংলাদেশ শিল্প কারিগরী সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর নিকট চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বকেয়া ও হালনাগাদ পৌরকর থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সোমবার ৩১ লক্ষ ২৮ হাজার ১৪৪ টাকা পরিশোধ করেছে। বিটাকের পরিচালক আবু সাহিদ খান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ছগির চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নিকট উল্লেখিত পৌরকরের একটি চেক মেয়র দপ্তরে হস্তান্তর করেন। এ সময় প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, কর কর্মকর্তা এ কে সালাউদ্দিন, উপ কর কর্মকর্তা প্রবীর কুমার চৌধুরী, মো. নাসির উদ্দীন চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি.

সিটি মেয়রের সাথে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

 ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সোমবার দুপুরে মেয়র দপ্তরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।সাক্ষাতে মেয়র  বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নাগরিক সেবার দায়িত্বে নিয়োজিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে নাগরিক দায়বোধ থেকে সুনির্দ্দিষ্ট দায়িত্বের পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নাগরিকদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় অবদান রাখছে। যদিও এ দুটি সেবার জন্য জনগণের উপর কোন ধরনের কর ধার্য নেই। মেয়র  বলেন, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশ বান্ধব নগরীর লক্ষ্যে সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু, দিনের পরিবর্তে রাতে আবর্জনা সংগ্রহ ও অপসারন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে এ লক্ষ্যে নাগরিকদের ঘরে ঘরে ৯ লক্ষ ছোট বিন ও ৪ হাজার বড় বিন                                                                                                                                                                                                                                   পৌঁছে দেয়া হয়েছে। পূর্বের জনবলের সাথে ১৭১৪ জন নতুন সেবক নিয়োগ দিয়ে নাগরিকদের ঘর থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়াও ৭৭৫টি ভ্যানগাড়ীর মাধ্যমে প্রতিদিন আবর্জনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। দুর্গন্ধ মুক্ত নগরীর স্বার্থে পাকা ডাষ্টবিন উচ্ছেদ করে উক্ত স্থানে ফুলের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতার স্বার্থে ৪১ টি ওয়ার্ডে মাইকযোগে প্রচার, ঘরে ঘরে ২০ লক্ষ হ্যান্ডবিল বিতরণ, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় বহুবার বিজ্ঞাপণ প্রচার এছাড়াও ইলেকট্রনিক মিডিয়া  ও অনলাইন পত্রিকায় সচেতনতা মূলক বিজ্ঞাপণ প্রচার অব্যাহত আছে। এসকল কার্যক্রমের ফলে ধীরে ধীরে নগরী পরিবেশ বান্ধব নগরীতে উন্নিত হচ্ছে। এখন আর ভোর বেলায় নাগরিকদের নাকে দুর্গন্ধ সইতে হচ্ছে না। এছাড়াও গ্রিন সিটির কনসেপ্ট বাস্তবায়ন চলছে। ইতোমধ্যে নগরীর ২১ নং জামালখান ওয়ার্ড বিউটিফিকেশনের আওতায় আনা হয়েছে। সার্কিট হাউস সংলগ্ন সড়ক, আউটার ষ্টেডিয়ামের পূর্ব-দক্ষিণ সড়ক, এয়ারপোর্ট সড়ক, সিটি গেইট এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলমান আছে। নগরীর মিডআইল্যান্ড,গোলচত্বর, ফুটপাত ও জনবহুল এলাকার সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন,  তাঁর মেয়াদের মধ্যে গ্রিন ও ক্লিন সিটির ভিশন বাস্তবায়নের পাশাপাশি নগরীর অলিগলি, রাজপথ এলইডি লাইটিং এর আওতায় এবং সকল কাঁচা ও অর্ধপাকা রাস্তা পাকা করা হবে। তিনি বলেন, ন্যারা পাহাড়গুলোকে থাইল্যান্ড-এ আবিস্কৃত বিন্নাঘাসের আচ্ছাদন দেয়া হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের সাথে আলাপ আলোচনা চলছে। মেয়র বলেন, সড়ক,রাস্তাঘাট, নালা নর্দমা উন্নয়ন, সংস্কার,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য, কৃষ্টি সভ্যতা,মুক্তিযুদ্ধের  স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ সহ নানামুখি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে। তারই আলোকে বই মেলার আয়োজন, সম্মাননা স্মারক প্রদান সহ নানামুখি কর্মকান্ড চলমান আছে। মেয়র আশা করেন গণমাধ্যম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সেবাধর্মী কার্যক্রম তুলে ধরে সেবার মান ও পরিধি বাড়াতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন। এর ফলে নগরবাসী উপকৃত হবে এবং নাগরিকদের প্রদেয় ট্যাক্সের টাকার বিনিময়ে তাদের প্রাপ্য সেবা সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন। আলোচনা-সমালোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে নতুন নতুন চিন্তার উদ্ভব হলে নাগরিকদের চাহিদা পুরন করা সহজ হবে। অহেতুক নেতিবাচক আলোচনা সমালোচনা ও পর্যালোচনা কোন কল্যান বয়ে আনবে না। মতবিনিময়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার ও সাধারন সম্পাদক শুকলাল দাশ নাগরিক স্বার্থে পরিচালিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কল্যানধর্মী সকল কর্মকান্ডের সাথে গণমাধ্যম পাশে থাকার সদিচ্ছা থাকবে বলে মেয়রকে অবহিত করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম ইফতেখারুল ইসলাম, বৈশাখী টিভির রূপম চক্রবর্তী সহ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যেগেএক্সিকিউটিভ ম্যজিষ্ট্রেট আফিয়া আখতার এবং স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে  ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শেরশাহ কলোনী এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স বিহীন ব্যবসা পরিচালনা ও হালনাগাদ নবায়ন না করার অপরাধে এস আলম হোটেল এর মোহাম্মদ রুবেলকে ৫ হাজার, মা মনি জুয়েলার্স এর অসিম ধরকে ৫ হাজার, মা লক্ষী জুয়েলার্সের সুজয় ধরকে ৫ হাজার, খাজা হোটেলের হারুনুর রশিদকে ৫ হাজার ও জুতার দোকানের মালিক মো. মনিরকেব ২ হাজার টাকা সহ সর্বমোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব সার্কেল-১ এর কর কর্মকর্তা, উপ কর কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা করেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন