Press Release 29-03-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি.

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের মতবিনিময়

চট্টগ্রাম এর সার্বিক উন্নয়ন সরকারের কার্যক্রম ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নানামুখি সেবাধর্মী কার্যক্রমের বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন। ২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি. বৃহষ্পতিবার, দুপুরে নগরভবনে কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, বর্তমান সভাপতি কলিম সরোয়ার, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিম উদ্দিন শ্যামল, সাধারন সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শাবান মাহমুদ, বর্তমান সভাপতি আবু জাফর সূর্য, বিএফইউজে চট্টগ্রাম এর সহ সভাপতি শহীদ উল আলম,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক তপন চক্রবর্তী, সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আসিফ সিরাজ,  চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও পেশাজীবি নেতারিয়াজ হায়দার, সাবেক নেতা এম নাসিরুল হক, রফিকুল বাহার, সহ বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন,চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব এর বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নানামুখি কার্যক্রমের তথ্যচিত্র বড় পর্দায় উপস্থাপন করা হয়। মতবিনিময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন চট্টগ্রাম এর মেয়র সাংবাদিক বান্ধব একজন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি। চট্টগ্রাম এর মেয়রের সাফল্যের সাথে সাংবাদিকদের সাফল্যও জড়িত। দেশের রাজধানী ঢাকা যদি বিবেচনায় মাথা হয় তাহলে চট্টগ্রাম মানুষের হৃদপিন্ড। যদি কোন কারনে হৃদপিন্ডের রক্তের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মানুষের মাথাও অকেজো হয়ে যায়। তিনি সরকার এবং চট্টগ্রাম এর সাফল্যের গাঁথা সাধারন মানুষের কাছে পৌছে দেয়ার আহবান জানান।

মতবিনিময়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সাধারন মানুষ মেয়রের নিকট সবকিছুই প্রত্যাশা করে। যানজট,পানি,বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা হলেও মেয়রের নিকটই সমাধান পেতে চায়। তিনি তার ২ বছর ৮ মাসের কার্যক্রমের বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী হতদরিদ্র,দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অক্ষম নাগরিকদের হোল্ডিং ট্যাক্স সর্বনি¤œ পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে। দরিদ্রদের জন্য হোল্ডিং রাখাা স্বার্থে বছরে মাত্র ৫১ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করা হয়েছে। তিনি নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করে বলেন,জনমত গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশংসনীয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে তিনি তার কার্যক্রম পরিচালনার বিষয় তুলে ধরে বলেন, নানামুখি প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নাগরিক প্রত্যাশা পূরন করতে হচ্ছে। তিনি কাঁচা রাস্তা পাকা করা, সড়ক আলোকায়ন করা,পরিচ্ছন্ন কাজে আমুল পরিবর্তন সাধন করা সহ উন্নয়নের তথ্য চিত্র তুলে ধরে বলেন, নির্ধারিত সেবার বাইরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সেবা দিচ্ছে চসিক। এ দুটি খাতে বছরে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ভর্র্তূকি দিতে হয়। নাম মাত্র  ফিতে বছরে ১ লক্ষ নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। এছাড়াও বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। তিনি মনে করেন অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম পরিবেশ বান্ধব ও বাসপোযুগি একটি নগরী। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন তার মেয়াদের মধ্যে নাগরিক প্রত্যাশা পূরন এবং তাঁর ভিশনানুযায়ী গ্রিন ও ক্লিন সিটি করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রতশা করেন।

 

চট্টগ্রাম- ২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি.

চসিক পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আখতার এর নেতৃত্বে ২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি.বৃহষ্পতিবার, সকালে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে  পণ্যদ্রব্যে পাটের বস্তা  ব্যবহার না করার দায়ে পাটজাত মোড়ক ব্যবহৃত আইনে চক বাজারস্থ মেসার্স আল মদিনা স্টোরকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযানে কোতোয়ালী থানাধীন আন্দরকিল্লা মসজিদ মার্কেটে ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় এবং ফুটপাতে বিক্রয়ের জন্য বই রেখে পথচারী চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি করার অপরাধে বই বাজারকে ৫ হাজার টাকা, সাহিত্য বিচিত্রাকে ৫ হাজার টাকা, ফেমাস লাইব্রেরীকে ১০ হাজার টাকা, ফয়েজ বুককে ৫ হাজার টাকা,আরাফাত লাইব্রেরীকে ৫ হাজার টাকা, পেপার ওয়ানকে ১০ হাজার টাকা, একুশ ষ্টেশনারীকে ২ হাজার টাকা, প্রিমিয়ার পাবলিকেশনকে ৫ হাজার টাকা পেপার ফোড্রামকে ২ হাজার টাকা, সালমা কিতাব মঞ্জিলকে ৫ হাজার টাকা, ফারুক পেপার এন্ড ষ্টেশনারীকে ৫ হাজার টাকা সহ মোট  ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা করেন। 

চট্টগ্রাম ২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি.

নগর ভবন চত্বরে স্বাধীনতা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে

সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন

নিজস্ব সম্পদেই বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল হবে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের চলমান অগ্রগতির যেন থেমে না যায় সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ একদিন জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবেই গড়ে উঠবে এবং বিশ্বের মাথা উঁচু করে চলবে। নিজস্ব সম্পদ দিয়েই আত্মনির্ভরশীল হবে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে কারো কাছে হাত পেতে নয়, বাঙালি জাতি যতটুকু সম্পদ তা দিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এবং বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাব। দেশকে আমরা আরো সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যাব ইনশাল্লাহ। গতকাল ২৯ মার্চ বিকেলে নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ নগর ভবন চত্বরে স্বাধীনতা উৎসব উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম আয়োজিত তিনদিনব্যাপী স্বাধীনতা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি একথা বলেন। সিটি মেয়র বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় আশা বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে ইতিমধ্যে সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার পূর্ণ ব্যক্ত করে সিটি মেয়র আরো বলেন, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এই বাংলাদেশকে আমারা উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। প্রত্যেকটি মানুষেরই রাষ্ট্রের কাছ থেকে মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের অধিকার রয়েছে। আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদে যে সংবিধান দিয়ে গেছে সেখানেও এই মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করার কথা বলে গেছেন। কাজেই আমাদের কর্তব্য আমাদের এই মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন এবং সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করা। তিনদিনব্যাপী স্বাধীনতা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের ভাষণে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, উন্নয়ন এবং শান্তির জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। সুখ-সমৃদ্ধি, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। সিঙ্গাপুর, মালেয়েশিয়ার নাম উল্লেখ করে মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী আরো বলেন, সে সব দেশের মত বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনাকে সময় দিতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আলোকিত হয়েছে। নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। মর্যাদা পেয়েছে বাঙালি জাতি। সভাপতির ভাষণে  স্বাধীনতা উৎসব উদযাপন পরিষদ এর চেয়ারম্যান ও নগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী ৭১র গণহত্যাকারী ও তাদের দোসর-মদদদাতাদের প্রতি চরম ঘৃণা প্রকাশ করে বলেছেন, ৭১র গণহত্যাকারী যুদ্ধাপরাীদের যারা বিএনপি-জামাত) মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা বানিয়ে পুরস্কৃত করেছে মদদ দিয়েছে তারাও সমান অপরাধী। উভয় সমান দোষের দোষী। তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের মত তাদেরও সমানভাবে বিচার হওয়া উচিত। আর পাকি প্রেমে যারা হাবুডুবু খাচ্ছে, ৭১র গণহত্যাকারীর মদদদাতাদেরও উপযুক্ত জবাব বাংলার মানুষকে দিতে হবে। তাদেরকেও শাস্তি দিতে হবে। তাদের পাকি প্রেম ভুলিয়ে দিতে হবে। বাঙালি যদি এটা না পারে তাহলে নিজেদের অস্থিত্ব থাকবে না। স্বাধীনতা উৎসব উদযাপন পরিষদ এর প্রধান সমš^য়কারী খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী স্বাধীনতা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা উৎসব উদযাপন পরিষদের মহাসচিব লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াছ, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব সুমন দেবনাথ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ ইছা।  উপস্থিত ছিলেন  জাতীয় শ্রমীকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সফর আলী, বীর মুক্তিযাদ্ধা আবু সাঈদ সর্দার, নগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মাহমুদ ইসহাক, কার্য নির্বাহী সদস্য হাজী বেলাল আহমেদ, ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল হোসেন বাচ্চু, ২৪ নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দ জাকারিয়া জগু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান ফেরদৌস, চসিক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, সাংস্কৃতিক সংগঠক শওকত আলী সেলিম, মহিউদ্দিন মঈনুল আলম, এস এম মামুনুর রশিদ, মুজিবুর রহমান নারী নেত্রী সৈয়দা শাহানারা বেগম, রুমকি সেন গুপ্ত, রাধা রানী দেবী প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ৫২র ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ৭৫র ১৫ আগস্ট কালোরাত্রিতে এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিহত সকল শহীদদের স্মরণেএক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বেলুন, পায়রা ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী স্বাধীনতা উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন সৃজামি সাংস্কৃতিক অঙ্গন। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন তারুণ্যের উচ্ছাস আবৃত্তি দল। দলীয়  নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যম একাডেমী। বিশেষ সঙ্গীত অনুষ্ঠন পরিবেশন করেন বেতার ও টেলিভিশন এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীবৃন্দ। আজ ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৬ টায় স্বাধীনতার মঞ্চে স্মৃতি চারন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. আবুল কাশেম, মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বরেণ্য বুদ্ধিজীবি কবি অরুন দাশ গুপ্ত।

চট্টগ্রাম-২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি. 

২৩ নং উত্তর পাঠানটুলি ওয়ার্ডে সুধি সমাবেশে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, মানুষ যখন ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করে, অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তখন সে বে-পরোয়া হয়। এধরনের ব্যক্তিরা অপরাধ করতে দ্বিধাবোধ করে না। এরূপ ভয়ঙ্কর কোন ব্যক্তি পরিবারে থাকলে সে  পরিবার, সমাজ ও দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মেয়র বলেন, অন্যায়কাজ  ও অপরাধে জড়িতদের উৎসাহিত না করে অপরাধী হিসেবে তাকে সামাজিকভাবে রুখতে হবে। সেজন্য পাড়ায় মহল্লায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ২৯ মার্চ ২০১৮ খ্রি. বৃহষ্পতিবার, বিকেলে ২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডস্থ দীন মোহাম্মদ কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে   সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এসব কথা বলেন। স্থানীয় কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ এর সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আইন শৃংখলা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এম সোহেল, চসিক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আফিয়া আখতার, স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ)জাহানারা ফেরদৌস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিভেন্স এর এসিসটেন্ট ডাইরেক্টর মো. কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া, আওয়ামীলীগ নেতা দোস্ত মোহাম্মদ, মনির আহমদ, মহল্লা সর্দার আলহাজ্ব মীর সেকান্দর মিয়া, সামসুদ্দিন আহমদ, ইদ্রিস কাজেমী, মাহফুজুর রহমান, হাজী আবদুর শুক্কুর, আলহাজ্ব শওকত আলী, হাজী মো. ইব্রাহীম, খতিব এ বি এম মহিবুল্লাহ, সর্দার মো. হাসান, কাজী আনোয়ার মাস্টার, মনির আহমদ, মাওলানা মোহাম্মদ আলী, সামসুল হক,ওয়াহিদুর রহমান, মোহসেন, মো. জাহেদ, গোলাম মোহাম্মদ,শিক্ষক লিপি মজুমদার, লাভলী মজুমদার, নিয়াজ আহমদ খান, মমতাজ বেগম রুজি,লায়ন মোহাম্মদ ইব্রাহিম  সহ অন্যরা। মঞ্চে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নানা শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিরা তাদের মতামত উপস্থাপন করেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন